ভোলা-বরিশাল সেতু: দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনার নতুন দ্বার
ভোলা বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপজেলা যা সম্পূর্ণভাবে নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন। বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুরসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে এর যোগাযোগ নির্ভর করে নৌপথের ওপর। অথচ, সময় এসেছে স্থায়ী ও দ্রুতগতির এক বিকল্প সংযোগের। ভোলা-বরিশাল সেতু হতে পারে এ অঞ্চলের জন্য গেমচেঞ্জার একটি অবকাঠামো। এই সেতু বাস্তবায়ন হলে শুধু যোগাযোগই নয়, খুলে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।
১. যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন:
ভোলাকে যদি আমরা বাংলাদেশের এক অনন্য সম্ভাবনাময় জেলা হিসেবে দেখি, তাহলে প্রথম প্রতিবন্ধকতা আসে যোগাযোগ ব্যবস্থায়। পুরো জেলা নদীঘেরা হওয়ায় এখানকার মানুষ প্রতিনিয়তই সড়ক যোগাযোগের অভাবে ভোগে। বরিশাল দক্ষিণাঞ্চলের মূল নগরী হলেও ভোলা থেকে সরাসরি কোনো সড়ক বা রেল সংযোগ নেই। এই পরিস্থিতিতে ভোলা-বরিশাল সেতু একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। বর্তমানে ভোলা থেকে বরিশাল যেতে নৌপথে দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য সময় ও অর্থ দুইয়েরই অপচয়। ভোলা থেকে বরিশাল যেতে বর্তমানে ফেরি বা লঞ্চ ব্যবহার করতে হয়, যেখানে সময় লাগে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। সেতু নির্মাণ হলে এই সময় কমে দাঁড়াবে মাত্র ১০-২০ মিনিটে। ফলে সহজতর হবে রোগী পরিবহন, জরুরি সেবা ও পণ্য পরিবহন। শিক্ষার্থীরা দ্রুত বরিশাল বা ঢাকায় পৌঁছাতে পারবে, উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে আগ্রহী হবে।
Thanks